শবে বরাত — ইতিহাস, তারিখ ও তাৎপর্য

শবে বরাত — ক্ষমার রাত — হিজরি ক্যালেন্ডারের শাবান মাসের ১৫তম রাতে পালিত হয়। বাংলাদেশের মুসলমানরা এই রাতে ইবাদত-বন্দেগি করেন, কবর জিয়ারত করেন এবং প্রতিবেশীদের মধ্যে হালুয়া-রুটি বিতরণ করেন।

শবে বরাত ২০২৭ — পরবর্তী তারিখ

ইংরেজি তারিখ
সোমবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৭
বাংলা তারিখ
১১ মাঘ ১৪৩৩
হিজরি তারিখ
১৫ শাবান ১৪৪৮ হিজরি
বাকি দিন
২০২ দিন

ইসলামি ছুটির দিনগুলো বাংলাদেশে চাঁদ দেখার উপর নির্ভরশীল, তাই প্রকৃত তারিখ এক দিন এদিক-ওদিক হতে পারে।

শবে বরাত-এর ইতিহাস

শবে বরাত — সৌভাগ্যের রজনী বা ক্ষমার রাত (লাইলাতুল বরাত) — রমজানের আগের মাস শাবানের ১৫ তারিখের রাতে পালিত হয়। অনেক মুসলমানের বিশ্বাস, এই রাতে আল্লাহ আগামী এক বছরের জন্য মানুষের ভাগ্য লিপিবদ্ধ করেন এবং আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থীদের ক্ষমা করে দেন। দক্ষিণ এশিয়া, মধ্য এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় শত শত বছর ধরে বিশেষ ইবাদতের মধ্য দিয়ে রাতটি পালিত হয়ে আসছে।

বাংলাদেশে শবে বরাত গভীরভাবে প্রোথিত এক ঐতিহ্য এবং সরকারি ছুটির দিন। সারারাত মসজিদগুলো মুসল্লিতে পূর্ণ থাকে, ঘরে ঘরে চলে ইবাদত। রাতটি মনে করিয়ে দেয় রমজান আর মাত্র দুই সপ্তাহ দূরে — অনেকে এই রাত থেকেই রোজার মাসের আধ্যাত্মিক প্রস্তুতি শুরু করেন।

শবে বরাত কীভাবে উদযাপিত হয়

  • মসজিদে ও ঘরে সারারাত নফল নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত ও জিকির
  • কবরস্থানে গিয়ে প্রয়াত স্বজনদের জন্য দোয়া
  • প্রতিবেশী ও গরিবদের মধ্যে হালুয়া-রুটি ও মিষ্টি বিতরণ
  • সারারাত ক্ষমা প্রার্থনা ও দোয়া-মোনাজাত
  • পরদিন অনেকের নফল রোজা পালন

শবে বরাত-এর তারিখ — আগামী ৫ বছর

বছরতারিখবারবাংলা তারিখ
২০২৭*২৫ জানুয়ারি, ২০২৭সোমবার১১ মাঘ ১৪৩৩
২০২৮*১৪ জানুয়ারি, ২০২৮শুক্রবার৩০ পৌষ ১৪৩৪
২০২৯*২ জানুয়ারি, ২০২৯মঙ্গলবার১৮ পৌষ ১৪৩৫
২০২৯*২৩ ডিসেম্বর, ২০২৯রবিবার৮ পৌষ ১৪৩৬
২০৩০*১২ ডিসেম্বর, ২০৩০বৃহস্পতিবার২৭ অগ্রহায়ণ ১৪৩৭

* ভবিষ্যৎ বছরের তারিখগুলো হিসাব করে বের করা — সরকারি ক্যালেন্ডার ঘোষণার পর পরিবর্তিত হতে পারে। ইসলামি ছুটির দিনগুলো বাংলাদেশে চাঁদ দেখার উপর নির্ভরশীল, তাই প্রকৃত তারিখ এক দিন এদিক-ওদিক হতে পারে।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

আরও ছুটির দিন জানুন