দৃক পঞ্চাঙ্গ: মঙ্গলবার, ২৭ মার্চ, ২০৩৫
এই পাতায় আছে ঢাকার জন্য হিসাব করা প্রতিদিনের দৃক পঞ্চাঙ্গ। দৃক মানে আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাব, অর্থাৎ আকাশে চাঁদ-সূর্য আসলে যেখানে থাকে সেটা ধরে গণনা। তিথি, নক্ষত্র, যোগ আর করণ ঠিক কখন বদলাবে, সাথে দিনের শুভ ও অশুভ সময় এখানে পাবেন। ছাপা বাংলা পঞ্জিকা চলে সূর্যসিদ্ধান্ত মতে, সেই হিসাব দেখতে চাইলে পঞ্জিকা পাতায় যান।
মঙ্গলবার, ২৭ মার্চ, ২০৩৫•১৩ চৈত্র ১৪৪১ বঙ্গাব্দ
এক নজরে পঞ্চাঙ্গ
- তিথি
- তৃতীয়া (৭:০৮ AM পর্যন্ত), চতুর্থী
- পক্ষ
- কৃষ্ণপক্ষ
- নক্ষত্র
- স্বাতী (১১:২১ AM পর্যন্ত), বিশাখা
- যোগ
- হর্ষণ, বজ্র
- করণ
- বিষ্টি (ভদ্রা), বব, বালব
- চান্দ্র মাস
- ফাল্গুন
- ঋতু
- বসন্ত
- অয়ন
- উত্তরায়ণ
- বিক্রম সংবৎ
- ২০৯১
- শক সংবৎ
- ১৯৫৬ (আনন্দ)
- চন্দ্র রাশি
- তুলা
- সূর্য রাশি
- মীন
সূর্য ও চাঁদ
সূর্যোদয়
৫:৫৫ AM
সূর্যাস্ত
৬:১২ PM
চন্দ্রোদয়
৯:১৫ PM
চন্দ্রাস্ত
৮:০৬ AM
তিথি, নক্ষত্র, যোগ ও করণের সময়
সব সময় বাংলাদেশ সময়ে দেওয়া। পঞ্চাঙ্গের দিন ধরা হয় এক সূর্যোদয় থেকে পরের সূর্যোদয় পর্যন্ত, তাই একই দিনে দুটো তিথি বা দুটো নক্ষত্র পড়তে পারে।
তিথি
| নাম | শুরু | শেষ |
|---|---|---|
| তৃতীয়া | ৫:৫৫ AM | ৭:০৮ AM |
| চতুর্থী | ৭:০৯ AM | ৫:৫৪ AM (২৮ মার্চ) |
নক্ষত্র
| নাম | শুরু | শেষ |
|---|---|---|
| স্বাতী | ৫:৫৫ AM | ১১:২১ AM |
| বিশাখা | ১১:২২ AM | ৫:৫৪ AM (২৮ মার্চ) |
যোগ
| নাম | শুরু | শেষ |
|---|---|---|
| হর্ষণ | ৫:৫৫ AM | ৭:৪৮ PM |
| বজ্র | ৭:৪৯ PM | ৫:৫৪ AM (২৮ মার্চ) |
করণ
| নাম | শুরু | শেষ |
|---|---|---|
| বিষ্টি (ভদ্রা) | ৫:৫৫ AM | ৭:০৮ AM |
| বব | ৭:০৯ AM | ৭:৫৯ PM |
| বালব | ৮:০০ PM | ৫:৫৪ AM (২৮ মার্চ) |
শুভ সময় (শুভ মুহূর্ত)
নতুন কাজ শুরু, যাত্রা, পূজা বা অন্য কোনো শুভ কাজের জন্য এই সময়গুলো ভালো ধরা হয়।
- অভিজিৎ মুহূর্ত
- ১১:৩৯ AM – ১২:২৮ PM
- ব্রাহ্ম মুহূর্ত
- ৪:২২ AM – ৫:০৮ AM
- অমৃত কাল
- ৪:০৪ AM (২৮ মার্চ) – ৫:৫০ AM (২৮ মার্চ)
অশুভ সময়
রাহুকাল, যমগণ্ড, গুলিক কাল, দুর্মুহূর্ত আর বর্জ্যম। শুভ কাজ শুরু করার সময় প্রথা অনুযায়ী এই সময়গুলো এড়িয়ে চলা হয়।
- রাহুকাল
- ৩:০৮ PM – ৪:৪০ PM
- যমগণ্ড
- ৮:৫৯ AM – ১০:৩১ AM
- গুলিক কাল
- ১২:০৪ PM – ১:৩৬ PM
- দুর্মুহূর্ত
- ৮:২৩ AM – ৯:১২ AM, ১০:০১ AM – ১০:৫০ AM, ৪:৩৩ PM – ৫:২২ PM
- বর্জ্যম
- ৫:৩১ PM – ৭:১৬ PM
ছাপা পঞ্জিকায় এই দিনের হিসাব হয় পুরোনো সূর্যসিদ্ধান্ত পদ্ধতিতে। তাতে তিথির সময় কয়েক মিনিট আলাদা হয়, কোনো কোনো পার্বণ এক দিন আগে-পিছেও পড়ে। সূর্যসিদ্ধান্ত মতে পঞ্জিকা দেখুন →
হিসাবটা যেভাবে করা
- সব সময় ঢাকার জন্য হিসাব করা, বাংলাদেশ সময়ে। অয়নাংশ ধরা হয়েছে লাহিড়ী (চিত্রাপক্ষ)।
- তালিকায় প্রথমে যে তিথি দেখানো হয় সেটা উদয়া তিথি, অর্থাৎ সূর্যোদয়ের সময় যে তিথি চলছিল। ব্রত আর পূজা-পার্বণের দিন ঠিক করতে প্রথা অনুযায়ী এই তিথিই ধরা হয়।
- রাহুকাল বা অভিজিৎ মুহূর্তের মতো সময়গুলো সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত ধরে বের করা হয়। তাই ঢাকার বাইরের শহরে কয়েক মিনিট এদিক-ওদিক হবে।
- বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত বা গুপ্ত প্রেসের মতো ছাপা পঞ্জিকার সাথে এখানকার সময়ের কয়েক মিনিটের ফারাক থাকতে পারে, কখনো কখনো পুরো এক দিনেরও।