দৃক পঞ্চাঙ্গ: রবিবার, ৪ মার্চ, ২০৩৫

এই পাতায় আছে ঢাকার জন্য হিসাব করা প্রতিদিনের দৃক পঞ্চাঙ্গ। দৃক মানে আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাব, অর্থাৎ আকাশে চাঁদ-সূর্য আসলে যেখানে থাকে সেটা ধরে গণনা। তিথি, নক্ষত্র, যোগ আর করণ ঠিক কখন বদলাবে, সাথে দিনের শুভ ও অশুভ সময় এখানে পাবেন। ছাপা বাংলা পঞ্জিকা চলে সূর্যসিদ্ধান্ত মতে, সেই হিসাব দেখতে চাইলে পঞ্জিকা পাতায় যান।

রবিবার, ৪ মার্চ, ২০৩৫•১৯ ফাল্গুন ১৪৪১ বঙ্গাব্দ

এক নজরে পঞ্চাঙ্গ

তিথি
দশমী (২:৪৭ AM (৫ মার্চ) পর্যন্ত), একাদশী
পক্ষ
কৃষ্ণপক্ষ
নক্ষত্র
মূলা (২:০২ PM পর্যন্ত), পূর্বাষাঢ়া
যোগ
সিদ্ধি, ব্যতীপাত
করণ
বণিজ, বিষ্টি (ভদ্রা), বব
চান্দ্র মাস
মাঘ
ঋতু
বসন্ত
অয়ন
উত্তরায়ণ
বিক্রম সংবৎ
২০৯১
শক সংবৎ
১৯৫৬ (আনন্দ)
চন্দ্র রাশি
ধনু
সূর্য রাশি
কুম্ভ

সূর্য ও চাঁদ

সূর্যোদয়

৬:১৮ AM

সূর্যাস্ত

৬:০২ PM

চন্দ্রোদয়

১:৫৩ AM

চন্দ্রাস্ত

১:০৭ PM

তিথি, নক্ষত্র, যোগ ও করণের সময়

সব সময় বাংলাদেশ সময়ে দেওয়া। পঞ্চাঙ্গের দিন ধরা হয় এক সূর্যোদয় থেকে পরের সূর্যোদয় পর্যন্ত, তাই একই দিনে দুটো তিথি বা দুটো নক্ষত্র পড়তে পারে।

তিথি

নামশুরুশেষ
দশমী৬:১৮ AM২:৪৭ AM (৫ মার্চ)
একাদশী২:৪৮ AM (৫ মার্চ)৬:১৭ AM (৫ মার্চ)

নক্ষত্র

নামশুরুশেষ
মূলা৬:১৮ AM২:০২ PM
পূর্বাষাঢ়া২:০৩ PM৬:১৭ AM (৫ মার্চ)

যোগ

নামশুরুশেষ
সিদ্ধি৬:১৮ AM৩:২৮ PM
ব্যতীপাত৩:২৯ PM৬:১৭ AM (৫ মার্চ)

করণ

নামশুরুশেষ
বণিজ৬:১৮ AM১:৪৬ PM
বিষ্টি (ভদ্রা)১:৪৭ PM২:৪৭ AM (৫ মার্চ)
বব২:৪৮ AM (৫ মার্চ)৬:১৭ AM (৫ মার্চ)

শুভ সময় (শুভ মুহূর্ত)

নতুন কাজ শুরু, যাত্রা, পূজা বা অন্য কোনো শুভ কাজের জন্য এই সময়গুলো ভালো ধরা হয়।

অভিজিৎ মুহূর্ত
১১:৪৬ AM – ১২:৩৩ PM
ব্রাহ্ম মুহূর্ত
৪:৩৯ AM – ৫:২৯ AM
অমৃত কাল
৬:৫৩ AM – ৮:৪০ AM

অশুভ সময়

রাহুকাল, যমগণ্ড, গুলিক কাল, দুর্মুহূর্ত আর বর্জ্যম। শুভ কাজ শুরু করার সময় প্রথা অনুযায়ী এই সময়গুলো এড়িয়ে চলা হয়।

রাহুকাল
৪:৩৪ PM – ৬:০২ PM
যমগণ্ড
১২:১০ PM – ১:৩৮ PM
গুলিক কাল
৩:০৬ PM – ৪:৩৪ PM
দুর্মুহূর্ত
৮:৩৯ AM – ৯:২৫ AM, ১০:১২ AM – ১০:৫৯ AM, ৪:২৮ PM – ৫:১৫ PM
বর্জ্যম
১২:১৫ PM – ২:০২ PM, ১২:৩৫ AM (৫ মার্চ) – ২:২১ AM (৫ মার্চ)
ছাপা পঞ্জিকায় এই দিনের হিসাব হয় পুরোনো সূর্যসিদ্ধান্ত পদ্ধতিতে। তাতে তিথির সময় কয়েক মিনিট আলাদা হয়, কোনো কোনো পার্বণ এক দিন আগে-পিছেও পড়ে। সূর্যসিদ্ধান্ত মতে পঞ্জিকা দেখুন →

হিসাবটা যেভাবে করা

  • সব সময় ঢাকার জন্য হিসাব করা, বাংলাদেশ সময়ে। অয়নাংশ ধরা হয়েছে লাহিড়ী (চিত্রাপক্ষ)।
  • তালিকায় প্রথমে যে তিথি দেখানো হয় সেটা উদয়া তিথি, অর্থাৎ সূর্যোদয়ের সময় যে তিথি চলছিল। ব্রত আর পূজা-পার্বণের দিন ঠিক করতে প্রথা অনুযায়ী এই তিথিই ধরা হয়।
  • রাহুকাল বা অভিজিৎ মুহূর্তের মতো সময়গুলো সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত ধরে বের করা হয়। তাই ঢাকার বাইরের শহরে কয়েক মিনিট এদিক-ওদিক হবে।
  • বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত বা গুপ্ত প্রেসের মতো ছাপা পঞ্জিকার সাথে এখানকার সময়ের কয়েক মিনিটের ফারাক থাকতে পারে, কখনো কখনো পুরো এক দিনেরও।