দৃক পঞ্চাঙ্গ: বুধবার, ২৯ মার্চ, ২০৩৪
এই পাতায় আছে ঢাকার জন্য হিসাব করা প্রতিদিনের দৃক পঞ্চাঙ্গ। দৃক মানে আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাব, অর্থাৎ আকাশে চাঁদ-সূর্য আসলে যেখানে থাকে সেটা ধরে গণনা। তিথি, নক্ষত্র, যোগ আর করণ ঠিক কখন বদলাবে, সাথে দিনের শুভ ও অশুভ সময় এখানে পাবেন। ছাপা বাংলা পঞ্জিকা চলে সূর্যসিদ্ধান্ত মতে, সেই হিসাব দেখতে চাইলে পঞ্জিকা পাতায় যান।
বুধবার, ২৯ মার্চ, ২০৩৪•১৫ চৈত্র ১৪৪০ বঙ্গাব্দ
এক নজরে পঞ্চাঙ্গ
- তিথি
- দশমী (৬:০৪ PM পর্যন্ত), একাদশী
- পক্ষ
- শুক্লপক্ষ
- নক্ষত্র
- পুষ্যা (১০:০৩ PM পর্যন্ত), আশ্লেষা
- যোগ
- সুকর্মা, ধৃতি
- করণ
- তৈতিল, গর, বণিজ
- চান্দ্র মাস
- চৈত্র
- ঋতু
- বসন্ত
- অয়ন
- উত্তরায়ণ
- বিক্রম সংবৎ
- ২০৯১
- শক সংবৎ
- ১৯৫৬ (আনন্দ)
- চন্দ্র রাশি
- কর্কট
- সূর্য রাশি
- মীন
সূর্য ও চাঁদ
সূর্যোদয়
৫:৫৩ AM
সূর্যাস্ত
৬:১২ PM
চন্দ্রোদয়
১:৩৬ PM
চন্দ্রাস্ত
২:০৬ AM
তিথি, নক্ষত্র, যোগ ও করণের সময়
সব সময় বাংলাদেশ সময়ে দেওয়া। পঞ্চাঙ্গের দিন ধরা হয় এক সূর্যোদয় থেকে পরের সূর্যোদয় পর্যন্ত, তাই একই দিনে দুটো তিথি বা দুটো নক্ষত্র পড়তে পারে।
তিথি
| নাম | শুরু | শেষ |
|---|---|---|
| দশমী | ৫:৫৩ AM | ৬:০৪ PM |
| একাদশী | ৬:০৫ PM | ৫:৫২ AM (৩০ মার্চ) |
নক্ষত্র
| নাম | শুরু | শেষ |
|---|---|---|
| পুষ্যা | ৫:৫৩ AM | ১০:০৩ PM |
| আশ্লেষা | ১০:০৪ PM | ৫:৫২ AM (৩০ মার্চ) |
যোগ
| নাম | শুরু | শেষ |
|---|---|---|
| সুকর্মা | ৫:৫৩ AM | ১:২৯ AM (৩০ মার্চ) |
| ধৃতি | ১:৩০ AM (৩০ মার্চ) | ৫:৫২ AM (৩০ মার্চ) |
করণ
| নাম | শুরু | শেষ |
|---|---|---|
| তৈতিল | ৫:৫৩ AM | ৬:০১ AM |
| গর | ৬:০২ AM | ৬:০৪ PM |
| বণিজ | ৬:০৫ PM | ৫:৫২ AM (৩০ মার্চ) |
শুভ সময় (শুভ মুহূর্ত)
নতুন কাজ শুরু, যাত্রা, পূজা বা অন্য কোনো শুভ কাজের জন্য এই সময়গুলো ভালো ধরা হয়।
- অভিজিৎ মুহূর্ত
- ১১:৩৮ AM – ১২:২৭ PM
- ব্রাহ্ম মুহূর্ত
- ৪:২০ AM – ৫:০৬ AM
- অমৃত কাল
- ৩:২৮ PM – ৫:০৭ PM
অশুভ সময়
রাহুকাল, যমগণ্ড, গুলিক কাল, দুর্মুহূর্ত আর বর্জ্যম। শুভ কাজ শুরু করার সময় প্রথা অনুযায়ী এই সময়গুলো এড়িয়ে চলা হয়।
- রাহুকাল
- ১২:০৩ PM – ১:৩৫ PM
- যমগণ্ড
- ৭:২৬ AM – ৮:৫৮ AM
- গুলিক কাল
- ১০:৩০ AM – ১২:০৩ PM
- দুর্মুহূর্ত
- ৮:২১ AM – ৯:১০ AM, ১০:০০ AM – ১০:৪৯ AM, ৪:৩৪ PM – ৫:২৩ PM
- বর্জ্যম
- ৫:৩৬ AM – ৭:১৪ AM
ছাপা পঞ্জিকায় এই দিনের হিসাব হয় পুরোনো সূর্যসিদ্ধান্ত পদ্ধতিতে। তাতে তিথির সময় কয়েক মিনিট আলাদা হয়, কোনো কোনো পার্বণ এক দিন আগে-পিছেও পড়ে। সূর্যসিদ্ধান্ত মতে পঞ্জিকা দেখুন →
হিসাবটা যেভাবে করা
- সব সময় ঢাকার জন্য হিসাব করা, বাংলাদেশ সময়ে। অয়নাংশ ধরা হয়েছে লাহিড়ী (চিত্রাপক্ষ)।
- তালিকায় প্রথমে যে তিথি দেখানো হয় সেটা উদয়া তিথি, অর্থাৎ সূর্যোদয়ের সময় যে তিথি চলছিল। ব্রত আর পূজা-পার্বণের দিন ঠিক করতে প্রথা অনুযায়ী এই তিথিই ধরা হয়।
- রাহুকাল বা অভিজিৎ মুহূর্তের মতো সময়গুলো সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত ধরে বের করা হয়। তাই ঢাকার বাইরের শহরে কয়েক মিনিট এদিক-ওদিক হবে।
- বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত বা গুপ্ত প্রেসের মতো ছাপা পঞ্জিকার সাথে এখানকার সময়ের কয়েক মিনিটের ফারাক থাকতে পারে, কখনো কখনো পুরো এক দিনেরও।