দৃক পঞ্চাঙ্গ: মঙ্গলবার, ২৯ মার্চ, ২০৩৩

এই পাতায় আছে ঢাকার জন্য হিসাব করা প্রতিদিনের দৃক পঞ্চাঙ্গ। দৃক মানে আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাব, অর্থাৎ আকাশে চাঁদ-সূর্য আসলে যেখানে থাকে সেটা ধরে গণনা। তিথি, নক্ষত্র, যোগ আর করণ ঠিক কখন বদলাবে, সাথে দিনের শুভ ও অশুভ সময় এখানে পাবেন। ছাপা বাংলা পঞ্জিকা চলে সূর্যসিদ্ধান্ত মতে, সেই হিসাব দেখতে চাইলে পঞ্জিকা পাতায় যান।

মঙ্গলবার, ২৯ মার্চ, ২০৩৩•১৫ চৈত্র ১৪৩৯ বঙ্গাব্দ

এক নজরে পঞ্চাঙ্গ

তিথি
ত্রয়োদশী (৭:১৫ AM পর্যন্ত), চতুর্দশী, অমাবস্যা
পক্ষ
কৃষ্ণপক্ষ
নক্ষত্র
শতভিষা (৬:৪২ AM পর্যন্ত), পূর্বভাদ্রপদ, উত্তরভাদ্রপদ
যোগ
শুভ, শুক্ল
করণ
বণিজ, বিষ্টি (ভদ্রা), শকুনি, চতুষ্পদ
চান্দ্র মাস
ফাল্গুন
ঋতু
বসন্ত
অয়ন
উত্তরায়ণ
বিক্রম সংবৎ
২০৮৯
শক সংবৎ
১৯৫৪ (পরিধাবী)
চন্দ্র রাশি
কুম্ভ
সূর্য রাশি
মীন

সূর্য ও চাঁদ

সূর্যোদয়

৫:৫৩ AM

সূর্যাস্ত

৬:১৩ PM

চন্দ্রোদয়

৪:৩১ AM

চন্দ্রাস্ত

৪:৪৮ PM

তিথি, নক্ষত্র, যোগ ও করণের সময়

সব সময় বাংলাদেশ সময়ে দেওয়া। পঞ্চাঙ্গের দিন ধরা হয় এক সূর্যোদয় থেকে পরের সূর্যোদয় পর্যন্ত, তাই একই দিনে দুটো তিথি বা দুটো নক্ষত্র পড়তে পারে।

তিথি

নামশুরুশেষ
ত্রয়োদশী৫:৫৩ AM৭:১৫ AM
চতুর্দশী৭:১৬ AM৩:৩৫ AM (৩০ মার্চ)
অমাবস্যা৩:৩৬ AM (৩০ মার্চ)৫:৫২ AM (৩০ মার্চ)

নক্ষত্র

নামশুরুশেষ
শতভিষা৫:৫৩ AM৬:৪২ AM
পূর্বভাদ্রপদ৬:৪৩ AM৩:৪৮ AM (৩০ মার্চ)
উত্তরভাদ্রপদ৩:৪৯ AM (৩০ মার্চ)৫:৫২ AM (৩০ মার্চ)

যোগ

নামশুরুশেষ
শুভ৫:৫৩ AM১০:১১ AM
শুক্ল১০:১২ AM৫:৫২ AM (৩০ মার্চ)

করণ

নামশুরুশেষ
বণিজ৫:৫৩ AM৭:১৫ AM
বিষ্টি (ভদ্রা)৭:১৬ AM৫:২৬ PM
শকুনি৫:২৭ PM৩:৩৫ AM (৩০ মার্চ)
চতুষ্পদ৩:৩৬ AM (৩০ মার্চ)৫:৫২ AM (৩০ মার্চ)

শুভ সময় (শুভ মুহূর্ত)

নতুন কাজ শুরু, যাত্রা, পূজা বা অন্য কোনো শুভ কাজের জন্য এই সময়গুলো ভালো ধরা হয়।

অভিজিৎ মুহূর্ত
১১:৩৮ AM – ১২:২৭ PM
ব্রাহ্ম মুহূর্ত
৪:২০ AM – ৫:০৬ AM
অমৃত কাল
৮:৪৬ PM – ১০:১১ PM

অশুভ সময়

রাহুকাল, যমগণ্ড, গুলিক কাল, দুর্মুহূর্ত আর বর্জ্যম। শুভ কাজ শুরু করার সময় প্রথা অনুযায়ী এই সময়গুলো এড়িয়ে চলা হয়।

রাহুকাল
৩:০৮ PM – ৪:৪০ PM
যমগণ্ড
৮:৫৮ AM – ১০:৩০ AM
গুলিক কাল
১২:০৩ PM – ১:৩৫ PM
দুর্মুহূর্ত
৮:২১ AM – ৯:১০ AM, ১০:০০ AM – ১০:৪৯ AM, ৪:৩৪ PM – ৫:২৩ PM
বর্জ্যম
১২:১৯ PM – ১:৪৪ PM

উৎসব ও ব্রত

  • প্রদোষ ব্রত
  • মাসিক শিবরাত্রি
ছাপা পঞ্জিকায় এই দিনের হিসাব হয় পুরোনো সূর্যসিদ্ধান্ত পদ্ধতিতে। তাতে তিথির সময় কয়েক মিনিট আলাদা হয়, কোনো কোনো পার্বণ এক দিন আগে-পিছেও পড়ে। সূর্যসিদ্ধান্ত মতে পঞ্জিকা দেখুন →

হিসাবটা যেভাবে করা

  • সব সময় ঢাকার জন্য হিসাব করা, বাংলাদেশ সময়ে। অয়নাংশ ধরা হয়েছে লাহিড়ী (চিত্রাপক্ষ)।
  • তালিকায় প্রথমে যে তিথি দেখানো হয় সেটা উদয়া তিথি, অর্থাৎ সূর্যোদয়ের সময় যে তিথি চলছিল। ব্রত আর পূজা-পার্বণের দিন ঠিক করতে প্রথা অনুযায়ী এই তিথিই ধরা হয়।
  • রাহুকাল বা অভিজিৎ মুহূর্তের মতো সময়গুলো সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত ধরে বের করা হয়। তাই ঢাকার বাইরের শহরে কয়েক মিনিট এদিক-ওদিক হবে।
  • বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত বা গুপ্ত প্রেসের মতো ছাপা পঞ্জিকার সাথে এখানকার সময়ের কয়েক মিনিটের ফারাক থাকতে পারে, কখনো কখনো পুরো এক দিনেরও।